বাংলাদেশের প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ ও অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক জনাব মাহমুদ উল্লাহ বার্ধক্যজনিত কারণে ইন্তেকাল করেছেন। ৩০ আগস্ট ২০২৫, শনিবার সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৯ বছর।
মরহুম মাহমুদ উল্লাহ ছিলেন এক সুপ্রতিষ্ঠিত শিক্ষাবিদ। তিনি জীবদ্দশায় রাজধানীর বিখ্যাত গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাই স্কুলের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পরবর্তীতে তিনি একই প্রতিষ্ঠানের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং দীর্ঘ কর্মজীবনে অসংখ্য শিক্ষার্থীকে আলোর পথ দেখিয়েছেন।
তিনি দুই পুত্র ও এক কন্যাসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষী রেখে গেছেন। তাঁর বড় ছেলে ডাঃ শাহ মোহাম্মদ আমান উল্লাহ বাংলাদেশের একজন খ্যাতনামা অর্থোপেডিক সার্জন, যিনি ডক্টরস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)-এর সাবেক যুগ্ম মহাসচিব, জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের পরিচালক এবং বাংলাদেশ অর্থোপেডিক সোসাইটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

মাহমুদ উল্লাহ শুধু শিক্ষক নন, ছিলেন একজন অনুপ্রেরণাদাতা। শিক্ষার্থীদের মাঝে তিনি ছিলেন প্রজ্ঞাবান, নীতিনিষ্ঠ এবং কঠোর পরিশ্রমের প্রতীক। গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাই স্কুলের একাডেমিক উন্নয়নে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য।তাঁর ছাত্র-ছাত্রীরা আজ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাফল্যের সঙ্গে কাজ করছেন, যা তাঁর শিক্ষাদর্শ ও আদর্শেরই প্রতিফলন।
ডক্টরস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) মরহুমের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে। সংগঠনের সভাপতি অধ্যাপক ডাঃ হারুন আল রশীদ ও মহাসচিব ডাঃ মোঃ জহিরুল ইসলাম শাকিল এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, “মাহমুদ উল্লাহ ছিলেন একজন নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষক ও সমাজসেবক। তাঁর মৃত্যুতে জাতি একজন আলোকিত ব্যক্তিত্বকে হারালো।”তারা মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।


