বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শিশু ও কিশোরদের নিরাপত্তা এখন একটি বড় সামাজিক ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে। সম্প্রতি যশোরের অভয়নগরে ঘটে যাওয়া একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনায় আতর শুকিয়ে এক মাদ্রাসা ছাত্রকে অপহরণের অভিযোগে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। ঘটনাটি জনমনে আতঙ্ক ছড়িয়েছে এবং শিশু নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।
অভয়নগর উপজেলার পাইকপাড়া গ্রামের কিশোর আবিদ হাসান (১৫) স্থানীয় ‘জামিয়া আসফাক উদ্দিন আল ইসলামিয়া মাদ্রাসার হেফজখানা’র ছাত্র। শনিবার দুপুরের খাবারের পর মাদ্রাসার সামনে দাঁড়িয়ে থাকার সময় মাসুম বিল্লাহ (৩২) নামের এক যুবক তার কাছে আসে। সে আতরের বোতল থেকে সুগন্ধি হাতে নিয়ে আবিদকে শুকতে দেয়। অল্প কিছুক্ষণের মধ্যেই আবিদের ঘুমঘোর আসতে শুরু করে।
এরপর প্রলোভন দেখিয়ে তাকে ভৈরব নদ পার করে একটি ইজিবাইকে তুলে নওয়াপাড়া রেলস্টেশন মসজিদের সামনে নিয়ে যাওয়া হয়। বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে আবিদ জ্ঞান ফিরে পেয়ে চিৎকার শুরু করলে স্থানীয় মুসল্লিরা এগিয়ে আসে এবং যুবকটিকে আটক করে পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে আবিদ ও অভিযুক্ত যুবককে থানায় নিয়ে যায়।
অভয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আলীম জানান, আবিদ হাসানকে অপহরণের ঘটনায় আটক যুবক মাসুম বিল্লাহর বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মামলার তদন্ত চলছে এবং আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
অপহৃত ছাত্রের পিতা আল আমিন শেখ ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, “আমার ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে আতর শুকিয়ে অজ্ঞান করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আল্লাহর রহমতে স্থানীয় মানুষদের সহায়তায় ছেলেকে ফেরত পেয়েছি।” তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও কঠোর শাস্তির দাবি জানান।
আটক মাসুম বিল্লাহ যশোরের কেশবপুর উপজেলার বাইশা গ্রামের মৃত রফিকুল ইসলামের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তিনি দীর্ঘদিন ধরেই এলাকায় নানা অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। তবে তার বিরুদ্ধে আগে কোনো বড় ধরনের অভিযোগ পুলিশে দায়ের হয়নি।বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শিশু ও কিশোরদের নিরাপত্তা এখন একটি বড় সামাজিক ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে। সম্প্রতি যশোরের অভয়নগরে ঘটে যাওয়া একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনায় আতর শুকিয়ে এক মাদ্রাসা ছাত্রকে অপহরণের অভিযোগে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। ঘটনাটি জনমনে আতঙ্ক ছড়িয়েছে এবং শিশু নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।
অভয়নগর উপজেলার পাইকপাড়া গ্রামের কিশোর আবিদ হাসান (১৫) স্থানীয় ‘জামিয়া আসফাক উদ্দিন আল ইসলামিয়া মাদ্রাসার হেফজখানা’র ছাত্র। শনিবার দুপুরের খাবারের পর মাদ্রাসার সামনে দাঁড়িয়ে থাকার সময় মাসুম বিল্লাহ (৩২) নামের এক যুবক তার কাছে আসে। সে আতরের বোতল থেকে সুগন্ধি হাতে নিয়ে আবিদকে শুকতে দেয়। অল্প কিছুক্ষণের মধ্যেই আবিদের ঘুমঘোর আসতে শুরু করে।
এরপর প্রলোভন দেখিয়ে তাকে ভৈরব নদ পার করে একটি ইজিবাইকে তুলে নওয়াপাড়া রেলস্টেশন মসজিদের সামনে নিয়ে যাওয়া হয়। বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে আবিদ জ্ঞান ফিরে পেয়ে চিৎকার শুরু করলে স্থানীয় মুসল্লিরা এগিয়ে আসে এবং যুবকটিকে আটক করে পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে আবিদ ও অভিযুক্ত যুবককে থানায় নিয়ে যায়।
অভয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আলীম জানান, আবিদ হাসানকে অপহরণের ঘটনায় আটক যুবক মাসুম বিল্লাহর বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মামলার তদন্ত চলছে এবং আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
অপহৃত ছাত্রের পিতা আল আমিন শেখ ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, “আমার ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে আতর শুকিয়ে অজ্ঞান করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আল্লাহর রহমতে স্থানীয় মানুষদের সহায়তায় ছেলেকে ফেরত পেয়েছি।” তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও কঠোর শাস্তির দাবি জানান।
আটক মাসুম বিল্লাহ যশোরের কেশবপুর উপজেলার বাইশা গ্রামের মৃত রফিকুল ইসলামের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তিনি দীর্ঘদিন ধরেই এলাকায় নানা অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। তবে তার বিরুদ্ধে আগে কোনো বড় ধরনের অভিযোগ পুলিশে দায়ের হয়নি।


