দেশের প্রতিটি নাগরিক পরিবর্তন কামনা করে উল্লেখ করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, স্থানীয় সরকার থেকে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত গণতন্ত্রের ভীতকে মজবুত করতে হবে। ধাপে ধাপে এই ভিত্তি শক্তিশালী করেই একটি সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক কাঠামো গড়ে তুলতে হবে।
শনিবার (৯ আগস্ট) বিএনপিপন্থী চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)-এর সম্মেলনে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়ে তিনি এই আহ্বান জানান।
তারেক রহমান বলেন,
“বর্তমানে যেসব সংস্কারের কথা বলা হচ্ছে, বিএনপি দু’বছর আগেই তার ৯৯ শতাংশ ৩১ দফার মাধ্যমে উপস্থাপন করেছে। আগামী নির্বাচনে বিএনপিই জনগণের প্রথম পছন্দ—তাই আমরা চাই স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে।”
এ সময় তিনি আরও উল্লেখ করেন, মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি নাগরিক জীবনের প্রতিটি মৌলিক অধিকার রক্ষায় অঙ্গীকারবদ্ধ থাকতে হবে।
মির্জা ফখরুলের সমালোচনা ও দিকনির্দেশনা
একই অনুষ্ঠানে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন,
“পারস্পরিক হিংসার যে সংস্কৃতি তৈরি করা হয়েছে, তা আমাদের ধ্বংস করেছে। এই কালচার থেকে বের হয়ে আসতে হবে।”
তিনি ভবিষ্যতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের নাম উল্লেখ করে বলেন, বিএনপির দেওয়া ৩১ দফার মধ্যে জাতির জন্য সবচেয়ে জরুরি বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। বিশেষ করে স্বাস্থ্য খাতকে গুরুত্ব দিয়ে পরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছে।
৩১ দফায় সব অধিকার নিশ্চিতের প্রতিশ্রুতি
তারেক রহমানের মতে, পরিবর্তনের জন্য শুধু রাজনৈতিক অধিকার নয়, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও মানবিক অধিকারও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তাই বিএনপির ৩১ দফা কর্মসূচিতে ভোটের অধিকার, স্বাস্থ্য সেবা, আইনের শাসন, দুর্নীতি দমন এবং সুশাসন নিশ্চিত করার পরিকল্পনা স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে।


